যে একটি কারনে আটকে আছে হাজার হাজার পাসপোর্ট

Passportসার্ভারের ধীর গতির কারণে অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম পূরণেই তার লেগে যায় এক মাস। তারপর কোনভাবেই অনলাইনে সেই ফর্ম জমা দিতে না পেরে তিনি আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে যান এবং পরিচিত এক কর্মকর্তার সাহায্য নিয়ে দরখাস্ত জমা দেন।

এরপর ১৫ থেকে ২১ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট বুঝিয়ে দেয়ার কথা থাকলেও তাকে অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ দেয়া হয়েছে সামনের বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে।

এই অবস্থায় শুধুমাত্র পাসপোর্ট জটিলতায় ফেলোশিপ হারানোর শঙ্কায় আছেন তিনি।

মিস ইয়াসমিন বলেন, “আমি চেয়েছিলাম অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে। কিন্তু এতো স্লো, বার বার হ্যাং করে। শেষ পর্যন্ত পরিচিত একজনের সাহায্য নিতে বাধ্য হলাম। আর এতদিনে পুলিশ ভ্যারিফিকেশন হয়নি। পাসপোর্ট যে কবে পাবো কে জানে।”

আবার মালয়েশিয়ার প্রবাসী শ্রমিক ইলিয়াস হোসেন গত সাত মাস ধরে ঢাকার আগারগাঁওয়ের পাসপোর্ট অফিসে বার বার ধরনা দিয়েও এখনও নিজের ই-পাসপোর্ট বুঝে পাননি।

নিজের এমআরপি পাসপোর্টের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ায় তিনি ই-পাসপোর্টে নবায়ন করতে চাইছেন। কিন্তু নামের বানান ভুল থাকায় বার বার ফিরে যেতে হচ্ছে।

“যতবারই যাই, খালি বলে প্রসেসিং চলতেছে, কালকে আসেন, কালকে আসলে বলে সার্ভারে সমস্যা, অপেক্ষা করেন। দিন তারিখ কিছুই বলে না।,” তিনি বলেন।

একইভাবে জেবুন নেছা বেগমের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাওয়াও আটকে আছে, সময় মতো এই ই-পাসপোর্ট হাতে না পাওয়ার কারণে।

তিনি বলেন, “ভিসার মেয়াদ যাওয়ার পরে পাসপোর্ট দিয়ে কি করবো। যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে তাড়াতাড়ি ঠিক করুক।

সূত্র : বিবিসি বাংলা