ভাবির সাথে পরকীয়ায় বড় ভাইকে খুন

killবরিশালে ভাবির সাথে পরকীয়া প্রেমের জের ধরে ছোটভাই ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের সহযোগীতায় হত্যা করেছে বড় ভাই কে। আজ দুপুর সাড়ে ১২ টায় বরিশাল কোতয়ালী থানায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সহকারী পুলিশ কমিশনার আজাদ রহমান।পুলিশ জানায়, গত ২৫ অক্টোবর ’১৬ রাতে বরিশাল নগরীর কাটপট্টি এলাকায় খুন হন খালেদ মোহাম্মাদ টিপু। একটি ভবনের ৪র্থ তলার কক্ষ থেকে চেয়ারের সাথে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় টিপু’র লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত টিপু চট্রগ্রাম জেলার চরফরিদ গ্রামের সোলায়মান সওদাগরের বড় ছেলে।ওই সময় নিহত টিপুর ছোট ভাই নূর জাহিদ হোসেন মুনসুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় সে পুলিশের কাছে কিছুই স্বীকার না করলেও পুলিশের চাপে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জামান হোসেন তদন্ত শুরু করলে বেরিয়ে আসে হত্যার নানান রহস্য।সহকারী পুলিশ কমিশনার আজাদ রহমান জানান, নিহত টিপু দীর্ঘ দিন সৌদি আরবে ছিলেন। এ সুযোগে তার স্ত্রী শারমিন আক্তারের সাথে দেবর নূর জাহিদ হোসেন মুনসুর পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত হয়। দীর্ঘদিন পর টিপু দেশে ফিরে এলেই সংসারে অশান্তি সৃস্টি হয়।এরপর টিপুকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে স্ত্রী শারমিন আক্তার ও তার ছোট ভাই নূর জাহিদ হোসেন মুনসুর। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৫ অক্টোবর টিপুকে মাছ ব্যবসার কথা বলে বরিশালে নিয়ে আসে ছোট ভাই মুনসুর।ওই দিন রাত ৭টা থেকে সাড়ে ৮ টার মধ্যে খালেদ মোহাম্মাদ টিপুকে চেয়ারের সাথে হাত-পা বেঁধে মুনসুরের ভাড়া করা সন্ত্রাসী বরিশাল নগরীর পলাশপুরের আজাহার মোল্লার ছেলে সুক্কুর মোল্লা, একই এলাকার অনিল চন্দ্র দাসের ছেলে পলাশ দাস, কাশিপুরে শার্শির হাতেম হাওলাদারের ছেলে আলতাফ হাওলাদার ও চরমোনাই ইউনিয়নের হাসমত আলী ছেলে হাসান হত্যা করে।

এ ঘটনায় হত্যার পরিকল্পনাকারী মুনসুর ও ওই ৪ জনকে আটক করেছে থানা পুলিশ।