নিজে নিজেই ঘুরে আসুন কাশ্মীর (পূর্ণাঙ্গ গাইড লাইন)

kashmirকাশ্মীর ভ্রমণের সিরিজ পোস্ট দেয়ার পর অনেকেই অনেক তথ্য-উপাত্ত জানতে চেয়েছেন বিভিন্ন সময়ে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই পোস্টের অবতারণা। কাশ্মীর ভ্রমণের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ভ্রমণ পরিকল্পনা নিয়ে পোস্ট করার ইচ্ছে ছিল। আজ সেই উদ্দেশ্য নিয়ে এই পোস্ট। প্রথমেই আলোচনা করা যাক পাসপোর্ট করা নিয়ে। পাসপোর্ট করার নিয়মকানুন সবাই কমবেশী জানেন। অনলাইনে পাসপোর্টের জন্য আবেদন ফর্ম পাওয়া যায় এই ঠিকানায়ঃ পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ফর্ম (পিডিএফ) Click This Link এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাওয়া যাবে এই ঠিকানায়ঃhttp://www.passport.gov.bd/ যেখানে Online MRP Instruction নামে একটি মেনুবার আছে, এখানে ক্লিক করলে ১৪ পাতার একটি নির্দেশিকা পিডিএফ ফাইল আকারে পাবেন। এখান হতে পাসপোর্ট সংক্রান্ত যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে যাবেন।

এবার পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পর, দরকার হবে ভারতীয় ভিসা। ভারতীয় ভিসা’র জন্য বর্তমানে “ষ্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া” পরিচালিত ভারতীয় ভিসা সেন্টারের ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন জমা দিতে হয়। এখানে যত যন্ত্রণা, বর্তমানে কোন এজেন্ট ছাড়া অনলাইনে আবেদনপত্র জমা দেয়ার ডেট পাওয়া দুষ্কর। ১৫০০-৫০০০ টাকা পর্যন্ত সার্ভিস চার্জ নিয়ে আপনার আবেদনপত্র জমার ডেট পাইয়ে দিতে পারে এই সকল এজেন্টরা। আপনি যেহেতু অনলাইনে জমা দিতে পারছেন না, প্রয়োজনে ওদের এম্বাসির ভিসা প্রসেসিং সেকশনে মেইল করতে পারেন। আমার পরিচিত একজন এই প্রক্রিয়ায় আবেদনপত্র জমা দেয়ার ডেট পেয়েছে। যেহেতু এখানে টুরিস্ট ভিসার কথা আলোচনা করছি, তাই একটা কথা বলা প্রয়োজন। টুরিস্ট ভিসার জন্য সলভেন্সি প্রুভ হিসেবে আপনার কমপক্ষে ১৫০ ইউএস ডলার সমপরিমাণ অর্থ পাসপোর্টে এন্ডোর্স করতে হবে অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট জমা দিতে হবে। তবে সবচেয়ে বেটার ডলার এন্ডোর্স করা। আমার এক বন্ধুর ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর ট্রানজেকশন প্যাটার্ন এর কারণে ভিসা এপ্লিকেশন রিফিউজ হয়েছে। আপনি চাইলে আপনার ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড দিয়েও ডলার এন্ডোর্স করাতে পারেন।

http://www.ivacbd.com/visas_and_document.php এই ঠিকানায় দেয়া নির্দেশিকা হতে সহজেই জেনে নিতে পারবেন আপনার ভিসা আবেদনের জন্য কি কি কাগজপত্র লাগতে পারে। সাধারণত টুরিস্ট ভিসা’র জন্য যা যা লাগেঃ
* ২”X২” সাইজের পাসপোর্ট সাইজের ছবি (দুই কপি)। (অনলাইন আবেদনপত্র জমা দেয়ার ক্ষেত্রে এই ছবিই স্ক্যান করে দেবেন)
* জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি
* কর্মজীবীদের জন্য অফিস হতে অনাপত্তিপত্র (NOC), ব্যবসায়ীদের জন্য আপডেট ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি।
অফিস পরিচয়পত্র (এমপ্লয়মেন্ট আইডি কার্ড)
* ভিজিটিং কার্ড
* কমিশনার সার্টিফিকেট
* বর্তমান ঠিকানার সাম্প্রতিক কোন ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি।

এখানে মনে রাখবেন, ইউটিলিটি বিলে ঠিকানা যেভাবে লেখা থাকবে, ঠিক সেইভাবে ভিসা এপ্লিকেশন ফর্মে দিতে হবে। উদাহরণ স্বরূপ, আপনি পাসপোর্ট করার সময় যে বাসায় ছিলেন, এখনো সেখানেই আছেন। ঠিকানা ১০০৪, বিষ্ণু চরন দাস স্ট্রীট, লালবাগ, ঢাকা। কিন্তু আপনার ইউটিলিটি বিলে লেখা আছে, ১০০৪, বি সি দাস স্ট্রীট, লালবাগ, ঢাকা। এক্ষেত্রে আপনি ইউটিলিটি বিলেরটাই আবেদনপত্রে দিবেন। উল্লেখ্য যে, ভিসা আবেদনে চারটি বিষয় বিবেচনা করা হয়ঃ (১) আপনি কোন দেশের নাগরিক (এর জন্য জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি), (২) আপনার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা (ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি এবং কমিশনার সার্টিফিকেট এর জন্য প্রয়োজন), (৩) আপনার পেশার সত্যতা (এজন্য এনওসি, আইডি কার্ড, এবং ভিজিটিং কার্ড; ব্যবসায়ীদের জন্য আপডেট ট্রেড লাইসেন্স এবং ভিজিটিং কার্ড) এবং (৪) সলভেন্সি (এজন্য নুন্যতম ১৫০ ইউএস ডলার এন্ডোর্সমেণ্ট)।

তো আর কি? এবার পাসপোর্ট এবং ভিসা পর্ব শেষ, আসুন শুরু করি কাশ্মীর যাত্রা। মনে রাখবেন, এই পোস্টে আমি প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন খরচের জন্য পাঁচটি ক্যাটাগরি রাখবো। আপনি যে খরচ যে ক্যাটাগরিতে করতে চান, সেটির খরচ আলাদা করে হিসেবে রেখে আপনার মোট খরচ বের করতে পারবেন।

কবে যাবেনঃ
প্রথমেই আসি কোন সময়ে কাশ্মীর ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত সময়। কাশ্মীরের পরিপূর্ণ রূপ উপভোগ করতে হলে, আপনাকে কমপক্ষে তিনবার যেতে হবে কাশ্মীর। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর এর দিকে, যখন বর্ষার শেষে চারিদিকে থাকবে সবুজের সমারোহ, গাছে গাছে ধরবে আপেল। আবার ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারি, যখন বরফে ছেয়ে যাবে চারিধার। আর একটি হল এপ্রিল, যখন কাশ্মীরের বিখ্যাত টিউলিপ গার্ডেনে ধরবে ফুল, সাথে থাকবে বরফে ঢাকা পাহাড়ের সারি, রৌদ্রোজ্জ্বল দিন। আর সব বিবেচনা করে, আপনি যদি একবারের জন্য কাশ্মীর যেতে চান, তাহলে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ হবে আপনার জন্য সেরা সময়।

কিভাবে যাবেনঃ
ঢাকা থেকে শ্রীনগর যাওয়ার বিভিন্ন রুট রয়েছে। ঢাকা হতে কলকাতা বা দিল্লী যেতে হবে প্রথমে। সেখান থেকে সরাসরি শ্রীনগর (বিমানে) অথবা জম্মু হয়ে শ্রীনগর (রেল ও সড়ক পথে)।

কোথায় কোথায় বেড়াবেনঃ

শ্রীনগরঃ ডাল ও নাগিন লেক, মুঘল গার্ডেনস (নিশাতবাগ, শালিমারবাগ, চাশমেশাহি, পারিমাহাল), শঙ্করাচার্য হিল, জামে মসজিদ, হযরত বাল মসজিদ, টিউলিপ গার্ডেন, জাদুঘর, বোটানিক্যাল গার্ডেন।

পাহেলগাওঃ চান্দানওয়ারি, বেতাবভ্যালি, আরুভ্যালি, বাইসারান, লিদারওয়াত রিভার, সান টেম্পল, তুলিয়ান লেক।

গুলমার্গঃ গুলমার্গ গণ্ডোলা, আফারওয়াত পিক, খিলানমার্গ, বাবা রেশির মাজার, গলফ কোর্স, সেন্ট মেরী চার্চ, এলপাথর লেক, বায়সফিয়ার রিজার্ভ, ফিরজপুর নাল্লাহ।
সোনামার্গঃ জজিলা পাস, থাজিওয়াস গ্লেসিয়ার, গাঙ্গাবাল লেক, গাদসার লেক, ভিসান্তার লেক, সাসতার লেক।

সময়ের হিসেবঃ
এখন আসুন সময়ের হিসেবে। শ্রীনগরের সবকয়টি স্থান ভ্রমণের জন্য তিন-চার দিন সময় লাগবে। পাহেলগাও এর সবকয়টি স্থান ভ্রমণে চারদিন, গুলমার্গ তিনদিন, সোনামার্গ দুই দিন। সবমিলে ১২-১৩ দিন কাশ্মীর এর সবকয়টি স্পট ঘুরে দেখতে চাইলে। সাথে ইন্টারনাল ট্রান্সফারে আরও ২-৩ দিন যোগ করে ১৫ দিন। ১৫ দিনে আপনি মোটামুটি সবকয়টি স্থান ঘুরে দেখতে পাবনে। তবে একসপ্তাহের একটা ট্যুর হতে পারে এমনঃ পাহেলগাও তিনদিন, শ্রীনগর দুদিন, গুলমার্গ একদিন, সোনামার্গ একদিন।

খরচের হিসেবঃ
যাতায়াতঃ

ঢাকা থেকে কলকাতাঃ
Category A: ঢাকা থেকে যশোহর হয়ে বেনাপোল। সেখান থেকে কলকাতা। খরচ ৫০০-১০০০ টাকা।
Category B: ঢাকা থেকে ট্রেনে (মৈত্রী এক্সপ্রেসে কলকাতা) ৫০০-১০০০ টাকা।
Category C: ঢাকা থেকে বেনাপোল হয়ে কলকাতা (নন-ট্রানজিট এসি বাস)। খরচ ১৫০০-১৭০০ টাকা।
Category D: ঢাকা থেকে বেনাপোল হয়ে কলকাতা (ট্রানজিট এসি বাস) খরচ। ১৯০০-২০০০ টাকা।
Category E: ঢাকা থেকে বাই এয়ারে কলকাতা। খরচ ৬০০০ টাকা।

কলকাতা-শ্রীনগরঃ

Category A: কলকাতা থেকে জম্মু হয়ে শ্রীনগর ১২০০-১৫০০ টাকা। (নন-এসি স্লিপার ক্লাস)
Category B: কলকাতা থেকে দিল্লী হয়ে জম্মু। সেখান থেকে বাসে শ্রীনগর। ১৫০০-২০০০ টাকা (নন-এসি স্লিপার ক্লাস)
Category C: কলকাতা থেকে দিল্লী হয়ে জুম্মু (থ্রি-টিয়ার এসি)। সেখানে থেকে প্রাইভেট কারে শ্রীনগর। ৬০০০-৭০০০ টাকা।
Category D: কলকাতা থেকে দিল্লী বাই এয়ার। দিল্লী থেকে শ্রীনগর বাই এয়ার। ১০০০০-১২০০০ টাকা।
Category E: কলকাতা থেকে সরাসরি শ্রীনগর (উইথ/উইদাউট ট্রানজিট) ১২০০০-১৫০০০ টাকা।

যাতায়াত নিয়ে আমার আগের নোটটি ভালমত দেখতে পারেন, কম খরচে ঢাকা থেকে কাশ্মীর এবং কাশ্মীরে সাইট সিয়িং সব পাবেন।

থাকাঃ
Category A: জম্মু এন্ড কাশ্মীর ট্যুরিজম কর্পোরেশনের ডরমিটরিতে সিট, ৪০০ টাকা।
Category B: সাধারণ মানের ব্যাচেলরদের জন্য আদর্শ মানের হোটেল। ৬০০ টাকা।
Category C: ষ্ট্যাণ্ডার্ড হোটেল। ১২০০-১৫০০ টাকা।
Category D: তিন তারকা অথবা সম-মানের হোটেল। ২০০০-৩০০০ টাকা।
Category E: লাক্সারি তিন তারকা-চার তারকা হোটেল। ৩০০০-১৫০০০ টাকা। (উল্লেখ্য কাশ্মীর জোনে কোন পাঁচ তারকা হোটেল নেই। সবচেয়ে নামকরা গ্র্যান্ড মুমতাজ।)
খাওয়াঃ

Category A: যা পাই, তাই খাই। ড্রাই ফুড (রুটি কলা টাইপ) প্রতি বেলা অনধিক ৫০ টাকা।
Category B: সাধারণ ভারতীয় থালি টাইপ খাবার। প্রতি বেলা ১০০ টাকা।
Category C: ষ্ট্যাণ্ডার্ড মিল। ২০০ টাকা প্রতি বেলা।
Category D: ভালো মানের রেস্টুরেন্ট ৩০০-৪০০ টাকা প্রতি বেলা।
Category E: নামী রেস্তোরাঁ ৫০০-১৫০০ টাকা প্রতি বেলা।
(সকালের নাস্তার জন্য অর্ধেক খরচ ধরতে পারেন। আর হোটেলের থাকার সাথে ব্রেকফাস্ট ফ্রি থাকলে খরচ শূন্য। আমার মতে, থাকা উচিত এমএপি (মডিফাইড আমেরিকান প্ল্যান) এ, সকালের নাস্তা এবং রাতের খাবার হোটেল)

সাইট সিয়িংঃ
এই ক্ষেত্রে ক্যাটাগরি ভাগ করে দেয়া যাচ্ছে না। কাশ্মীরে এক জোনের প্রাইভেট কার, অন্য জোনে আপনাকে ড্রপ করে দেবে ঠিকই, কিন্তু ঐ জোনের সাইট সিয়িং এর জন্য আলাদা করে প্রত্যেক জোনের গাড়ী ভাড়া করতে হবে। চারজনের জন্য ট্যাক্সি টাইপ প্রাইভেট গাড়ী দৈনিক ১২০০-১৫০০ টাকা থেকে শুরু করে অনধিক ৩০০০ টাকা। নির্ভর করে সময় এবং কয়টা সাইট ভিজিট করবেন তার উপর। লোকাল ট্রান্সপোর্ট দিয়ে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকা যেতে পারেবেন। কিন্তু সাইট সিয়িং এর জন্য কোন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট দেখি নাই। পাহেলগাও, গুলমার্গ এসব এলাকায় সাইট সিয়িং এর জন্য পনি রাইড (ঘোড়ায় চড়া) রয়েছে, খরচ ২০০-১০০০ টাকা, সময় এবং দরদাম এর উপর নির্ভর করে। আর টিকেট বাবদ লাগতে পারে মোট ৫০০ রুপী সর্বোচ্চ; তবে তা গণ্ডোলা রাইড ছাড়া। গণ্ডোলা রাইড এর জন্য লাগবে ৮০০-৩০০০ রুপী পর্যন্ত। বিস্তারিত পাবেন এই লিঙ্কেঃ http://gulmarggondola.com/

তো আর কি? এবার নিজের হিসেব নিজেই করুন। কয়দিন থাকবেন, কোথায় কোথায় বেড়াবেন এর উপর ভিত্তি করে বের করে ফেলুন আপনার বাজেট। সবার সুবিধার জন্য আমি একটা প্ল্যান দিচ্ছিঃ

দিন 0: ঢাকা থেকে কলকাতা। বিআরটিসি-শ্যামলী এসি বাস। ছাড়বে রাত দশটায়। ভাড়া ১৭০০/১৯০০ টাকা

দিন ১ঃ কলকাতা পৌঁছে ট্যাক্সি যোগে চলে যান হাওড়া রেল ষ্টেশন। ভাড়া ১০০-২০০ রুপী। রাজধানী এক্সপ্রেসে দিল্লী, থ্রি টায়ার এসি, ভাড়া বাংলাদেশী টাকায় ৩৩০০ (এজেন্ট এর প্রাইস)। রুপীতে ভাড়া ২১৫০ রুপী।

দিন ২ঃ দিল্লী পৌঁছে রেস্ট অথবা মিনি দিল্লী দর্শন। রাতের জম্মুগামী রাজধানী এক্সপ্রেসে জম্মু। সেখানে পৌঁছে প্রাইভেট গাড়ীতে জম্মু-শ্রীনগর। খরচ ২০০০ রুপী সব মিলিয়ে।
(এক্ষেত্রে কলকাতা থেকে প্লেনে শ্রীনগর চলে যেতে পারেন। সবচেয়ে ভাল হয় এয়ার ইন্ডিয়া’র ঢাকা-দিল্লী ফ্লাইটে দিল্লী এসে রাত থেকে পরদিন সকালের প্লেনে শ্রীনগর চলে এলে। খরচ সব মিলিয়ে ১৫০০০ টাকা।)

দিন ০৩ঃ শ্রীনগর ভ্রমণ।
দিন ০৪ঃ শ্রীনগর-পাহেলগাঁও। ভ্রমণ এবং রাত্রি যাপন।
দিন ০৫ঃ পাহেলগাঁও ভ্রমণ এবং রাত্রি যাপন।
দিন ০৬ঃ পাহেলগাঁও-গুলমার্গ, ভ্রমণ এবং রাত্রি যাপন।
দিন ০৭ঃ গুলমার্গ-শ্রীনগর, ভ্রমণ এবং হাউজবোটে রাত্রি যাপন।
দিন ০৮ঃ শ্রীনগর-সোনামার্গ, ভ্রমণ এবং শ্রীনগর এসে রাত্রি যাপন।
দিন ০৯ঃ শ্রীনগর-দিল্লী হয়ে কলকাতা’র উদ্দেশ্যে যাত্রা।
দিন ১০ঃ কলকাতা পৌঁছান এবং রাত্রি যাপন।
দিন ১১ঃ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা।

উল্লেখ্য, দিন ০৯ এ শ্রীনগর থেকে দিল্লী হয়ে ঢাকার বিমান ধরতে পারেন। এক্ষেত্রে খরচ আগের মতই ১৫০০০ টাকা পড়তে পারে।
এই প্ল্যানে মোট খরচ হবে ৩৫০০০-৬০০০০ টাকা।