চট্টগ্রামের ৩০ গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর

eidচট্টগ্রামের ৩০টি গ্রামের কিছু সংখ্যক মানুষ বুধবার (০৬ জুলাই) পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপন করছেন। সাতকানিয়ার মির্জারখীল দরবার শরীফের মুরিদরা সৌদিআরবের সাথে মিল রেখে অন্যান্য বছরের মতো এবারও একদিন আগে ঈদ উদযাপন করছেন।

দরবার শরীফের ভক্তরা রোজাও একদিন আগে থেকে শুরু করেছিলেন। ফলে মঙ্গলবার তাদের ৩০টি রোজা সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবার সকাল ১০টায় মির্জারখীল দরবার শরীফে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন হাজারো মুসল্লী। দরবার শরীফের পীর হয়রত মৌলানা মোহাম্মদ আরেফুল হাই এর বড় ছেলে মুফতি মৌলানা মোহাম্মদ মকছুদুর রহমান ঈদের নামাজে ইমামতি করেছেন।

চট্টগ্রাম ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা মির্জারখীল দরবার শরীফের অনেক মুরিদ ঈদের নামাজে শরীক হয়েছেন বলে বাংলানিউজকে জানিয়েছেন একদিন আগে ঈদুল ফিতর পালনকারী সাতকানিয়ার বাসিন্দা সাংবাদিক দিদারুল আলম। তিনি জানান, দরবার শরীফ ছাড়াও বিভিন্ন গ্রামে মুরিদরা ঈদ জামাতের আয়োজন করেছেন।

মির্জারখীল দরবার শরীফ সূত্রমতে, সাতকানিয়ার মির্জাখীল, গাটিয়া ডেঙ্গা, মাদার্শা, চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, হারাল, বাইনজুরি, কানাই মাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী, জামিরজুরি, বাঁশখালীর কালিপুর, চাম্বল, শেখের খীল, ডোংরা, ছনুয়া, আনোয়ারার বরুমছড়া, তৈলারদ্বীপ, লোহাগাড়ার পুটিবিলা, কলাউজান, বড়হাতিয়া এবং পটিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী, সন্দ্বীপ, রাউজান, ফটিকছড়ির কিছু এলাকাসহ চট্টগ্রামের মোট ত্রিশটি গ্রামের কিছু সংখ্যক মানুষ বুধবার ঈদ-উল ফিতর উদযাপন করছেন।

এছাড়াও পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ি, কক্সবাজারের চকরিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও হ্নীলা বেশ কয়েকটি গ্রামের কিছু লোক একই সময়ে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

প্রায় দুশ বছর আগে তৎকালীন পীর মাওলানা মুখলেছুর রহমান (রহঃ) একদিন আগে অর্থাৎ পৃথিবীর অন্য যেকোন দেশে চাঁদ দেখা গেলেই রোজা, ঈদ এবং কোরবানী পালনের নিয়ম প্রবর্তন করেন। এরপর থেকে সারাদেশে মির্জাখীল দরবারের অনুসারীরা এ নিয়ন পালন করে আসছেন।