ক্যান্সার রোগ নয়, ব্যবসা

cancer-cellক্যান্সার কোন বড় রোগ নয়, এটা একটি ব্যবসা। আধুনিক পৃথিবীতে আমরা যেটাকে ক্যান্সার বলে জানি সেটা একটি মিথ্যা ধারণা ছাড়া আর কিছুই নয় বলে সম্প্রতি এক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দাবি করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর ক্যান্সারের সংক্রামণ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়।

ডা. এক্স বলেন, বর্তমানে ক্যান্সারের সংক্রামণ এত ব্যাপক হারে বেড়ে যাচ্ছে যেটা থেকে বৃদ্ধ, তরুণ, বাচ্চা কেউই বাদ যাচ্ছে না। তারা শুধুমাত্র ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পকে তাদের ঔষধ বিক্রিতে বাড়তি আয়ের যোগান দিচ্ছে না, একই সঙ্গে ক্যান্সারের কারণে তাদের বাড়তি টু পাইস আয়েরও ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।

প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরে বসেই কিভাবে ক্যান্সার নিরাময় করা যায় এ বিষয়ে একটি বই লেখা হয়েছে যার নাম হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা। ‘ওয়ার্ল্ড উইদাউট ক্যান্সার’ নামক বইটি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ যাবত প্রায় অসংখ্য ভাষায় অনুদিত হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, আমাদের সকলেরই জানা উচিৎ ক্যান্সার কোন ভয়াবহ ব্যাধি নয় এটা শুধুমাত্র ভিটামিন বি-১৭ এর অভাব জনিত রোগ। তাহলে কেন আমরা কেমোথেরাপি, সার্জারি বা হাইপাওয়ারের ঔষধ গ্রহণ থেকে বিরত থকবো না।
স্কুভি নামে একটি বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে

অসংখ্য সামুদ্রিক প্রাণী মারা যায়। এসব মৃত প্রাণীর দেহাবাষেশ বিক্রি করে লোকেরা প্রচুর আর করতেন। পরবর্তীতে অনেক গবেষণার মধ্যে দিয়ে আবিষ্কার হয় যে, শুধুমাত্র ভিটামিন সি এর অভাবে সামুদ্রিক প্রাণীরা স্কুভি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।
একইভাবে ভিটামিন বি-১৭’র অভাবে ক্যান্সার সংক্রমন হয়ে থাকে। বর্তমান বিশ্বে ক্যান্সার হচ্ছে একটি জনপ্রিয় ব্যাবসা যেটা থেকে কোটি কোটি টাকা আর করছে ঔষধ শিল্প।

ক্যান্সারকে কোন প্যানিক হিসেবে নয়, কিছু নির্ধারিত কৌশল মেনে ঘরে বসেই কোন ঔষধ ছাড়া ক্যান্সারের প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব। একজন ব্যক্তি প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০টি খাঁটি সুগন্ধি পাথর কিংবা আমলকি জাতীয় ফলের শক্ত গোটা, গমের গুড়া, আপেল, চেরি, পীচ, নাশপাতির বীজ, মটরশুটি ইত্যাদি খেলে অলৌকিক ভাবে অ্যান্টি ক্যান্সার হিসেবে কাজ করবে। নিউজ রেসকিউ।