এবার বাণিজ্য মেলায় ঢুকতে হবে ‘পদ্মা সেতু’ দিয়ে

dhaka-trade-fairপ্রতিবছর খ্রিস্টীয় বছরের প্রথম মাস জানুয়ারি জুড়ে বসে বাণিজ্য মেলা। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পাশের মাঠে বসে এই মেলা। আর এবার মেলার প্রবেশদ্বারে থাকছে নতুন বৈচিত্র্যতা। প্রবেশ করতে হলে আপনাকে ঢুকতে হবে পদ্মা সেতু দিয়ে।

কিন্তু পদ্মা বহুমুখী সেতুতো তৈরি হচ্ছে শরীয়তপুরের জাজিরা ও মুন্সিগঞ্জের মাওয়া পয়েন্টে। তাহলে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় প্রবেশ করতে কেন পদ্মা সেতু দিয়ে ঢুকতে হবে?

এমন প্রশ্ন জাগতেই পারে। আসল রহস্য হল, এবার পদ্মা সেতুর আদলেই তৈরি করা হয়েছে মেলার মূল প্রবেশদ্বার। প্রতিবছরই নান্দনিক ও আকর্ষণীয় সাঁজে তৈরি করা হয় এটি। তবে এবার প্রবেশদ্বারের বৈচিত্র্যতা নিয়ে ভিন্নমাত্রা যোগ করার কথা আগেই জানিয়েছিলেন আয়োজকরা। সেই বৈচিত্র্যতার অংশ হিসেবেই এমন চমক।

আসছে ১ জানুয়ারি যেখানে মেলা শুরু হতে যাচ্ছে, সেই বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পাশের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, তোরণ নির্মাণে চলছে শেষ মুহূর্তের তোড়জোড়। এরই মধ্যে পদ্মাসেতুর আদলে এ তোরণ সেতুটিতে একটি স্প্যান বসানো হয়েছে। দর্শনার্থীদের কাছে এটাকে আরো আকার্ষণীয় করতে শ্রমিকরা বেশ ব্যস্ত সময় পাড় করছেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ সংস্থা রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) যৌথ আয়োজনে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার প্রস্তুতি প্রায় শেষ দিকে। বিভিন্ন কোম্পানির প্যাভিলিয়ন ও স্টল নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে। এখন চলছে সৌন্দর্য বর্ধন ও পলিশের কাজ।

এবারের ২৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় বড়দের জন্য প্রবেশ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা আর ছোটদের জন্য দিতে হবে ২০ টাকা। মেলা চলবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে, এবারের মেলায় ১৪ ক্যাটাগরিতে দেশ-বিদেশের ৫২০টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ পেয়েছে।

এর মধ্যে ৬৪টি প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন, ৩৬টি মিনি প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন, ১৭টি জেনারেল প্যাভিলিয়ন, ২৫টি মিনি জেনারেল প্যাভিলিয়ন, চারটি রিজার্ভ প্যাভিলিয়ন, ছয়টি মিনি রিজার্ভ প্যাভিলিয়ন, ২৭টি বিদেশি প্যাভিলিয়ন এবং ৮টি মিনি বিদেশি প্যাভিলিয়ন। এছাড়া ৬৭টি প্রিমিয়ার স্টল, ১৮টি বিদেশি স্টল, ২৬০টি সাধারণ স্টল ও ২৪টি ফুড স্টল থাকবে।